'আমার খুব ইচ্ছা খলনায়িকা বা ভিলেন টাইপ চরিত্রে অভিনয় করার’
দিলারা হানিফ পূর্ণিমা একজন বাংলাদেশী অভিনেত্রী, তিনি চলচ্চিত্র জগতে পূর্ণিমা নামে অধিক পরিচিত । এ জীবন তোমার আমার (১৯৯৮) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় পূর্ণিমার । দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে রোমান্টিক ও ‘মিষ্টি মেয়ে’ ইমেজেই দর্শকের হৃদয় জয় করেছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা । তবে এবার সেই চেনা ছক ভাঙতে চান এবং প্রথমবারের মতো পর্দায় খলনায়িকা ভিলেন চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।
২০০৩ সালে মুক্তি পায় তার সব থেকে সফল ছবি মতিউর রহমান পানু পরিচালিত মনের মাঝে তুমি। এটি বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় বাংলাদেশের সবথেকে সফল ছবির মধ্যে অন্যতম। এরপর ২০০৪ সালে রাবেয়া খাতুনের উপন্যাস মেঘের পরে মেঘ অবলম্বনে চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছায়াছবি মেঘের পরে মেঘ ছবিতে অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাস্তি গল্প অবলম্বনে নির্মিত শাস্তি চলচ্চিত্র চন্দরা চরিত্রে অভিনয় করেন । পর পর ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকায় পরিণত হন তিনি। তবে দীর্ঘ ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে কখনো নেতিবাচক চরিত্রে দেখা যায়নি তাকে।
পূর্ণিমা বলেন, 'আমার খুব ইচ্ছা খলনায়িকা বা ভিলেন টাইপ চরিত্রে অভিনয় করার। পর্দায় এমন একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে চাই, যার প্রতি মানুষের তীব্র ঘৃণা তৈরি হবে। 'অভিনেত্রীর ভাষ্যমতে, এখন পর্যন্ত কেউ তাকে এমন চরিত্রে কল্পনাই করেননি। কারণ, দর্শক ও নির্মাতারা তাকে বরাবরই রোমান্টিক ও কোমল স্বভাবের চরিত্রে দেখে অভ্যস্ত।
পূর্ণিমা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত খলচরিত্রে অভিনয় করা হয়নি আমার। আমাকে নিয়ে হয়তো কেউ তেমনটা চিন্তাই করেননি। সবাই ভাবেন, আমার চেহারার সঙ্গে নেতিবাচক চরিত্র ঠিক জমবে না। দর্শকরা আমাকে রোমান্টিক ও পরিপাটি লুকে দেখতেই অভ্যস্ত। তবে এবার এর বিপরীতে কিছু হলে খুব ভালো হতো।’
উল্লেখ্য, কয়েক বছর ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত পূর্ণিমা। সবশেষ ২০২৪ সালের রোজার ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ সিনেমায় তাকে দেখা যায়। এর আগে ২০২৩ সালে কাজল আরেফিন অমির ওয়েব সিরিজ 'হোটেল রিলাক্স'-এর মাধ্যমে ওটিটিতে অভিষেক হলেও এরপর নতুন কোনো কাজ নিয়ে পর্দায় হাজির হননি তিনি।
What's Your Reaction?